[google-translator]
আবহাওয়া:
anindabangla

২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , বৃহস্পতিবার , ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

অনিন্দ্যবাংলা ডেস্ক: অবশেষে রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষার শেষ হলো মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার। দীর্ঘভ্রমণ শেষে অবশেষে মঙ্গলের বুকে অবতরণ করলো নাসার মহাকাশযান ‌‘পারসেভারেন্স’। ঐতিহাসিক এই মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করছিলেন নাসার বিজ্ঞানীরা। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টা ৫৫ মিনিটে পারসেভারেন্স মঙ্গলে অবতরণ করার সঙ্গে সঙ্গে লস এঞ্জেলেসের লিডজেট প্রপালসন ল্যাবরেটরিতে বিজ্ঞানীরা উল্লাসে মেতে ওঠেন।

ব্রিটিস সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, ছয় চাকার এই স্বয়ংক্রিয় রোবট যানটি পৃথিবী থেকে তার ৪৭০ মিলিয়ন কিলোমিটার বা ৪৭ কোটি মাইল পথের যাত্রা শুরু করেছিল সাত মাস আগে। আজ তার যাত্রার অবসান হলো। জাজেরো নামে গভীর গর্তে (ক্র্যাটার) অবতরণ করে রোবট যান পারসেভারেন্স। আগামী দুই বছর মঙ্গলে অবস্থান করে সেখানে পাথর খননসহ সেখানে অতীতে কোনো প্রাণের অস্তিত্ব ছিল কিনা তা জানার চেষ্টা করবে যানটি।

প্রায় সাত মাসের যাত্রা শেষে দুই লাখ ৪০ কিলোমিটার পাড়ি দেয় ‘পারসিভারেন্স’।

এটির অবতরণের শেষ সময়টিকে ‘সেভেন মিনিটস অব টেরর’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। কেননা অবতরণের সময় দ্রুত বেগে আছড়ে পড়ার কারণে এসব যান ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে। তাই এই সময়টিকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়ে থাকে।

বিজ্ঞানীদের আতঙ্ক ছিল, মঙ্গলের মাটিতে প্রচণ্ড গতিতে আছড়ে পড়ার সময়ে ছয় চাকার যে যানটি আছে এর যাতে কোনো ক্ষতি না হয়, এজন্য যানটিকে একটি ক্যাপসুলের মধ্যে ঢুকিয়ে মঙ্গলযানের সঙ্গে পাঠানো হয়েছিল। ২০৪০ লাখ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে প্রায় সাত মাসের যাত্রা শেষে মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে পৌঁছেছে ‘পারসিভারেন্স’। শেষ ৭ মিনিটের মধ্যে ওই যানসহ ক্যাপসুলটি ধীরে ধীরে আছড়ে পড়ে এক জায়গায় থেমে যাওয়ার কথা। এই ঘটনাটাই ঠিকভাবে হবে কি-না, এই নিয়ে উদ্বেগ ছিলেন বিজ্ঞানীদের।

এখন ল্যান্ডিং হয়ে যাওয়ার পরে প্রাথমিকভাবে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, কোনো ক্ষতি হয়নি পারসিভারেন্সের। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, খুব শিগগিরই এটি মঙ্গলের মাটিতে অভিযানও শুরু করবে। ছয় চাকার ওই অনুসন্ধানযান মঙ্গলপৃষ্ঠের ছবি তুলবে, মাটির প্রকৃতি বিশ্লেষণ করবে এবং সেই সব ছবি ও তথ্য পাঠাতে থাকবে।





Top