anindabangla

১৬ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , বুধবার , ২রা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

অনিন্দ্যবাংলা ডেস্ক: তুষ্টির মৃত্যুর কারণ নিয়ে একই কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র সাফায়েত আহমেদ। তার বাড়িও নেত্রকোনায়। তুষ্টিকে বাসা থেকে হাসপাতালে নেওয়ার পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন।

রাজধানীর আজিমপুর সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারের একটি বাসায় ইসরাত জাহান তুষ্টি (২২) নামের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

তুষ্টি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। থাকতেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলের ৪২২ নম্বর কক্ষে। তবে হল বন্ধ থাকায় তিনি আজিমপুর সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারে সাবলেট থাকতেন। তার বাড়ি নেত্রকোনা আটপাড়া উপজেলার। বাবার নাম আলতু মিয়া।

রোববার সকালে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বাসাটির বাথরুম থেকে তৃপ্তিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ফায়ার সার্ভিসের পলাশী ব্যারাক ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, অসুস্থতাজনিত কারণে তুষ্টি বাথরুমের ভেতরে পড়ে মারা যেতে পারে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। তিনি শনিবার বৃষ্টিতে ভিজেছিলেন। এ ছাড়া তার ঠান্ডার সমস্যা ছিল বলে জানতে পেরেছি।

সাফায়েত গণমাধ্যকে বলেন, শনিবার বিকালে দোকানে যাওয়ার সময় তুষ্টি বৃষ্টিতে ভিজে গিয়েছিল। আগে থেকেই তার অ্যাজমা (হাঁপানি) ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা ছিল। বৃষ্টিতে ভিজে শরীর খারাপ লাগায় গতকাল সে আর বাসা থেকে বের হয়নি। পরে রাতে যখন রুমের সবাই ঘুমিয়ে পড়ে, সে তখন ওয়াশরুমে যায়। ঠিক কখন সে ওয়াশরুমে গিয়েছিল, তা কেউ বলতে পারছে না।

তিনি আরও জানান, ভোরের দিকে রুমমেটরা সাড়াশব্দ পায়, কিন্তু বাথরুমটি ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। আমি অন্য জায়গায় থাকি। তুষ্টির রুমমেট ও সহপাঠী রাহনুমা তাবাসসুম রাফি আমাকে ফোন দিলে আমিও সেখানে যাই। পরে ৯৯৯-এ ফোন দেওয়ার পর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস এসে সাতটার দিকে অজ্ঞান অবস্থায় তুষ্টিকে বাথরুম থেকে বের করে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।





© কপিরাইট © সর্বস্বত্ব অনিন্দ্যবাংলা কর্তৃক সংরক্ষিত ২০০০-২০২০ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Top