anindabangla

১৯শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , মঙ্গলবার , ৩রা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ


বিশেষ প্রতিনিধি : নেত্রকোণা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার ৮০ ও ৯০ দশকের তুখোড় ছাত্রলীগ নেতা মোঃ কামরুজ্জামান কামরুল এখন মোহনগঞ্জ পৌরবাসীর মুখে মুখে। এক সময়ের মোহনগঞ্জ ছাত্র রাজনীতির অহংকার ও অলংকার এই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ১৯৮৫ সালে স্কুল জীবনের শেষার্ধে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে পদার্পণ করেন, ১৯৮৬ সাল থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ছিল কামরুজ্জামানের বলিষ্ঠ ভুমিকা, তার নেতৃত্বে মোহনগঞ্জ বাজারে পুলিশের ব্যারিকেড ভঙ করে অসংখ্যবার মিছিল হয় ও সেই সময় রাজনীতির অনেক অগ্নিময় সময় পার করেন তিনি।

১৯৮৮ সালে উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে মোহনগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ কে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করে গড়ে তুলেন,১৯৯১ সালে মোহনগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন (শহীদ ইকবাল- কামরুজ্জামান পরিষদ )ব্যাপক জনপ্রিয়তার মধ্যদিয়ে, ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রচন্ড পুলিশি বাধা জেল- জুলুম অত্যাচার সহ্য করেও দলকে সুসংগঠিত রাখেন। ১৯৮৭ থেকে ১৯৯৫ পর্যন্ত ৫০ টিরও বেশী মিথ্যা রাজনৈতিক মামলার আসামী হয়ে একাধিকবার কারাবরণ করেন ও হুলিয়া নিয়ে পালিয়ে থেকেও দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৯২ সালে মোহনগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জিএস হিসাবে ছাত্রলীগের মনোনয়ন পান (বাসেদ-কামরুল পরিষদ), কলেজ প্রশাসন সেই বছর তাদের প্যানেল জমা নেয়নি অদৃশ্য কারণে।

একজন সাদা মনের ও নির্লোভ মানুষ এই কামরুজ্জামান কামরুল, দীর্ঘ প্রায় ৩৫ টি বছর মুজিবাদর্শ বুকে ধারণ করে এলাকার জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে আছেন তিনি। আওয়ামীলীগের দূর্দিনের রাজপথের সাহসী সৈনিক এই ব্যক্তিটি জীবিকার তাগিদে ১৯৯৫ সাল থেকে ঢাকায় অবস্থান করলেও এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রোগ্রামে ও স্থানীয়-জাতীয় নির্বাচনে সর্বোচ্চটা বিলিয়ে দিয়ে আওয়ামীলীগের ও এলাকার মানুষের পাশে থাকেন সর্বদা।

২০১০ এর স্থানীয় পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন না পেয়েও এলাকাবাসীর পূর্ণ সমর্থনে নির্বাচনে ব্যাপক গণসংযোগ করেন,ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকা সত্বেও স্থানীয় মাননীয় সংসদ সদস্য রেবেকা মমিনের অনুরোধে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন এবং আওয়ামীলীগ প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন। তিনি ২০০৬-২০০৮ পর্যন্ত ঢাকার রাজপথে শেখহাসিনা মুক্তি আন্দোলনের একজন গর্বিত সৈনিক, দলের দূর্দিনে কামরুজ্জামান সর্বদা দলের পাশে,রাজপথে ছিলেন। পাশাপাশি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব, বিমান চেয়ারম্যান জনাব সাজ্জাদুল হাসানের পাশে থেকে গত কয়েক বছর যাবত এলাকার উন্নয়ন ও এলাকাবাসীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছেন নিরলসভাবে।

মোহনগঞ্জ পৌরসভায় রয়েছে এই সাবেক ছাত্রনেতার ঈর্ষনীয় ইমেজ, পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের ভোটারদের কথা একটাই; মোহনগঞ্জ পৌরসভা উন্নয়নে কামরুজ্জামান কামরুলের কোন বিকল্প নেই, যদি কামরুল ভাই পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হন তবে তাঁর দলের মনোনয়ন লাগবে না, ব্যক্তি ইমেজেই তিনি পাশ করবেন ইনশাআল্লাহ। এলাকাবাসী উক্ত সাদা মনের ত্যাগী ও সদাহাস্যোজ্জ্বল মানবপ্রেমী ও মেধাবী সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ কামরুজ্জামান কামরুল কে মোহনগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসাবে দেখতে চান।

আগামী পৌর নির্বাচনে প্রার্থীতার ব্যাপারে মোঃ কামরুজ্জামানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন- আমি মুজিব চেতনা ও শেখ হাসিনা আদর্শের একজন সৈনিক, আমার জীবনে চাওয়া-পাওয়া নেই,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশ হউক, এই দেশ ও এদেশের মানুষ বিশ্বের দরবারে মাথা উচু করে বাঁচুক এটাই আমার সুখ ও শান্তি। যতোদিন বেঁচে থাকবো আওয়ামীলীগের পতাকাতলে থেকে এলাকাবাসীর সেবা করে যেতে চাই। তবে আগামী নির্বাচনে দলের মনোনয়ন চাইবো, আমিও চাই মোহনগঞ্জ পৌরসভা উন্নয়নে একজন গর্বিত অংশীদার হতে।

মোঃ কামরুজ্জামান ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর মোহনগঞ্জের বাত্তারগাতীর ঐতিহ্যবাহী দারোগা বাড়ীতে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি মরহুম আব্দুল মমিন দারোগা সাহেবের দ্বিতীয় পুত্র (আব্দুল মমিন আহম্মদ সাহেবের মহান মুক্তিযুদ্ধে অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন, মুক্তিযোদ্ধা হয়েও মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট নেন নি), তিনি পেশায় ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ। তিনি বিএ এলএলবি, বিবাহিত ও দুই কন্যা সন্তানের জনক।





দেশ প্রপার্টিজ

করোনায় মানবিক সাহায্য দিন

রুমা বেকারী

করোনা ভাইরাস নিয়ে সতর্কীকরণ

নিত্যদিন বা উৎসবে,পছন্দের ফ্যাশন

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Top
Top